ভিডিও সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানা-নাতনির

ঈশ্বরদীতে ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানা-নাতনির, ছবি সংগৃহীত

পাবনা প্রতিনিধি : নানার বাড়িতে ঈদ করার জন্য গিয়েছিল ছোট্ট মুনতাহার। বাড়ির পাশে রেললাইন হওয়ায় নানার সাথে ট্রেন দেখতে বের হয়েছিল শিশুটি। কিন্তু ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানা ও নাতনির। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল (দোতলা সাঁকো সংলগ্ন) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উত্তর বাঘইল ও চর-মিরকামারী গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের উত্তর বাঘইল এলাকার মৃত রহমত সরদারের ছেলে বাবুল সরদার (৫৫) ও চর-মিরকামারী এলাকার ইসমাইল হোসেনের মেয়ে মুনতাহার (৫)। বাবুল ও মুনতাহার সম্পর্কে নানা ও নাতনি।

নিহতের পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঈদ করার জন্য মুনতাহার নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। ইফতারের কিছু সময় আগে বাড়ির নিকটবর্তী রেললাইন হওয়ায় নাতনির ট্রেন দেখার আবদার মেটাতে রেললাইনের ওপর নানা ও নাতনি বেড়াতে যান। এসময় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের দিক থেকে ট্রেনের ইঞ্জিন আসতে দেখে নাতনি দৌড়ে রেললাইনের ওপর উঠে যায়। এই অবস্থায় নাতনিকে বাঁচাতে গেলে নাতনির মত নানা বাবুল সরদারও ট্র্রনের ইঞ্জিনের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে নানা ও নাতনি দু’জনই ছিটকে নিচে পড়ে। আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে নানাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। গুরুতর আহত নাতনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, নিহতদের পরিবারের লিখিত আবেদনে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এক রুমে বন্দি’ থেকে মুক্ত খালেদার ৭ বছর পর পরিবারের সঙ্গে ঈদ

বাংলাদেশ দলে খেলে কেমন পেলেন হামজা

চোট কাটিয়ে ফিরেই মেসির গোল, জিতল মায়ামিও

ক্রেতাকে বোল দিয়ে পিটিয়ে মারলেন আলু বিক্রেতা

চাকরির প্রলোভনে ভারতে পাচার হওয়া ৩ নারীকে বেনাপোলে হস্তান্তর

নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে পিটিয়ে হত্যা